Saturday, April 18, 2015

ওডেস্কে যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়

আউটসোর্সিং

ওডেস্কে যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়

মো. আমিনুর রহমান | আপডেট:
অনলাইনে আউটসোর্সিংয়ের কাজ দেওয়ার-নেওয়ার জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে অনেক সময় কাজদাতাদের কাছে স্প্যাম ও কপি-পেস্ট করা কভার লেটার চলে যায়। এগুলোর হাত থেকে বাঁচতে এবং মুক্ত পেশাজীবীদের (ফ্রিল্যান্সার) দক্ষতা যাচাই করতে কাজ দেওয়ার সময় কিছু প্রশ্ন রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। প্রশ্নগুলোর উত্তর দেখেই কাজদাতা বা ক্লায়েন্ট বুঝতে পারে কাজটি কারা করতে পারবে। নতুন ফ্রিল্যান্সাররা অনেক সময় প্রশ্নগুলো বুঝতে পারেন না। তাই তাঁরা প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারেন না, ফলে কাজ পান না। ওডেস্ক জব পোস্টে সাধারণত যে ধরনের প্রশ্ন থাকে—
১. প্রজেক্টটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য আপনার কোনো সাজেশন আছে কি?
২. এই কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো ওডেস্ক টেস্ট কি দিয়েছেন এবং সেগুলোতে কি ভালো করেছেন?
৩. এই কাজের কোন অংশটুকু আপনার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে?
৪. ঠিক এ রকম কোনো প্রজেক্টে কি আগে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে, যদি থাকে তবে কেন কাজটি করেছিলেন?
৫. প্রজেক্টের কোন অংশটি সম্পন্ন করতে সবচেয়ে বেশি সময় লাগবে বলে আপনার মনে হয়?
৬. এই প্রজেক্ট নিয়ে কোনো প্রশ্ন আছে কি?
এখানে এমন কোনো প্রশ্ন নেই যা সহজে বোঝা যায় না। যারা কাজটি ভালোভাবে বুঝবেন এবং করতে পারবেন তাঁরা অবশ্যই এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারবেন। যাঁরা কাজটি ভালোভাবে বুঝতে পারেননি বা করতে পারবেন না তাঁরা হয়তো এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারবেন না। তাই আপনার যদি কাজ জানা থাকে তাহলে কভার লেটার লিখতে এবং কাজ পেতে কোনো সমস্যা হবে না। 

আউটসোর্সিংয়ের বই

প্রকাশনা

আউটসোর্সিংয়ের বই

আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
আউটসোর্সিং ৩: সফল হবেন যেভাবে।
লেখক: মো. আমিনুর রহমান।
দাম: ২৪০ টাকা।
পৃষ্ঠা: ১২৮। প্রকাশক: তাম্রলিপি, ঢাকা।
.বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক আউটসোর্সিং বেশ আলোচিত। তবে চাইলেই এ কাজে সফল হওয়া যায় না। সফলতা কীভাবে আসবে, তা জানা জরুরি। এ ছাড়া কাজ জেনে কীভাবে করতে হবে, সেটিও জানা দরকার। আউটসোর্সিংয়ের এমন সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে আউটসোর্সিং ৩: সফল হবেন যেভাবে বইটি। লিখেছেন মো. আমিনুর রহমান।
২০টি বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বইটিতে পূর্ণাঙ্গভাবে আউটসোর্সিংয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। রয়েছে প্রয়োজনীয় ছবি। বইটি থেকে জানা যাবে আউটসোর্সিংয়ে সফল হবেন কীভাবে, অনলাইন মার্কেটপ্লেস, কীভাবে একটি সুন্দর প্রোফাইল তৈরি করবেন, কাজ খোঁজা শুরু করুন, উপযুক্ত কাভার লেটার লিখবেন কীভাবে, ইন্টারভিউ ফেস করা, জব করবেন কীভাবে, আউটসোর্সিং শুরু আগে, সহজে কাজ পাবেন যেভাবে, সমস্যার সমাধান পাবেন যেখানে, দুজন সফল উদ্যোক্তার সাক্ষাৎকার ইত্যাদি পাবেন বইটিতে।এতে নিজেদের কাজের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন ফ্রিল্যান্সাররা। এবারের বইমেলায় বইটি প্রকাশিত হয়।
—রাহিতুল ইসলাম

দেশে হচ্ছে ডিজিটাল ডিজাইন প্রতিযোগিতা

ডিজিটাল বিপণন ও বিজ্ঞাপন সংস্থা র’দিয়া মিডিয়া দেশে ডিজিটাল ডিজাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। ১ আগস্ট থেকে শুরু হবে এই প্রতিযোগিতা। তবে প্রতিযোগিতার কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের জন্য চলতি এপ্রিল মাসজুড়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রচারণা চলবে। র’দিয়া মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী রবিউস সামস জানান, প্রতিযোগীরা এ আয়োজনে ডিজিটাল আর্ট, ডিজিটাল টাইপোগ্রাফি, গ্রাফিকস ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া ও ওয়েবপেজ লে-আউট ডিজাইন, স্থাপত্য নকশা এবং অ্যানিমেশন বিভাগে অংশ নিতে পারবেন।
যোগাযোগ: ফেসবুক facebook.com/radiamedia ও ইভেন্ট পেজ facebook.com/events/883739921689133। ই-মেইল nddc2015@gmail.com
মতামত পাঠানো যাবে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে। প্রতিযোগিতার বিস্তারিত জানা যাবে ফেসবুক পেজেই।http://itbdfs.blogspot.com/

কার মুখের হাসি কাড়ল ফেসবুক?

কার মুখের হাসি কাড়ল ফেসবুক?

অনলাইন ডেস্ক | আপডেট:
ফেসবুকে ভুয়া লাইক ঠেকাতে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।ফেসবুকে ভুয়া লাইকের ব্যবসা করে অনেকের মুখে চওড়া হাসি ফুটেছে। গতকাল শুক্রবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ভুয়া লাইক ব্যবসায়ীদের মুখের হাসি কেড়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভুয়া লাইক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তারা এমন যুদ্ধ ঘোষণা করেছে যে, অনেকেই দোকান বন্ধ করে পালাতে বসেছে। এএফপির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে ভাইরাসপূর্ণ সফটওয়্যার ব্যবহার করে লাইক বাড়ানো, ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি ও কম পয়সায় লাইক বাড়িয়ে নেওয়ার মতো কাজগুলো শনাক্ত করার প্রযুক্তি চলে এসেছে ফেসবুকের হাতে।
ফেসবুকের নিরাপত্তা প্রকৌশলী এইচ. কেনেম চেভিয়ার এক ব্লগ পোস্টে লিখেছেন, ‘ভুয়া লাইক ও স্প্যামার শনাক্ত করার পদ্ধতি উন্নয়ন করতে কাজ করে যাবে ফেসবুক। ভুয়া অ্যাকাউন্টধারীদের ধরতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা এখন যে পদ্ধতি গ্রহণ করছি তাতে ভুয়া লাইক ব্যবসায়ীদের ব্যবসা লাটে উঠবে।’
চেভিয়ার আরও বলেন, গত ছয় মাস ধরে ফেসবুক ভুয়া লাইক ঠেকানো প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে। ভুয়া লাইক নির্দিষ্ট পেজে পৌঁছানোর পরপরই তা মুছে দিতে সক্ষম হয়েছে ফেসবুক। এতে ভুয়া লাইকধারী অনেক ব্র্যান্ডের লাইকসংখ্যা কমে গেছে এবং ভুয়া লাইক দেখিয়ে ব্যবসা করা হচ্ছে না। এ ছাড়াও কোনো পেজে ভুয়া লাইক থাকলে তা পেজ কর্তৃপক্ষকে নোটিফিকেশন দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ফেসবুকে ভুয়া লাইক আর চলবে না। ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে লাইক দেওয়া হলে তা http://itbdfs.blogspot.com/